07-02-2026

এক সেমিনারে গিয়ে এক বাংলাদেশি ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয়েছিল। উনি কানাডায় বসে বাংলাদেশে ছোট একটা এজেন্সি চালান। আলাপের শুরুতে দেশের গল্প, দেশের গতি কেন এগোচ্ছে না, তারপর ইন্ডাস্ট্রির গল্প, আর তারপরই উনি সেই চিরচেনা জায়গায় চলে এলেন।
“ভাই, বাংলাদেশে ভালো ডিজাইনার পাওয়া যায় না কেন বলেন তো? মাসের পর মাস হায়ারিং পোস্ট দিয়ে রাখি। সিভি আসে শয়ে শয়ে, পোর্টফোলিও দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। কিন্তু ইন্টারভিউতে যখন বলি ক্লায়েন্টের এই বিজনেস প্রব্লেমটা আছে, আপনি হলে কী করতেন, তখন সবাই হা করে তাকিয়ে থাকে। ডিজাইনার কই ভাই?”
আপনি কি আশা করেছিলেন, কোণ উত্তর দিলে আপনি খুশি হতেন কিংবা হায়ার করতেন। উনি বললো ক্রিয়েটিভ কিছু।
বললাম কিন্তু সেই প্রবলেম তা বোঝার জন্য ক্যান্ডিডেট কে ব্যাপারটা বুঝতে হবে। তাই ইন্টার্ভিউ তে এমন প্রশ্ন ঠিক না যে একদম নতুন ব্যাপার। এমন প্রশ্ন করা উচিত যার উত্তর কমন কিন্তু সেখান থেকে কে ক্রিয়েটিভ উত্তর দেয়।
উনি আমার কথায় সন্তুষ্ট হলেন না, উল্টো বললেন ধুর, বলেন ডিজাইনার নাই।
আমি বললাম, “ডিজাইনার তো আছে। পঞ্চাশ হাজারের উপরে নাকি।”
উনি ভাবলেন আমি রসিকতা করছি। কিন্তু আমি করছিলাম না। সংখ্যাটা আমার বানানো না, অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের গবেষণা বলছে অনলাইন লেবার সাপ্লাইতে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয়, ভারতের ঠিক পরেই। গ্লোবাল ফ্রিল্যান্স ওয়ার্কফোর্সের প্রায় ১৬ শতাংশ এই দেশ থেকে আসে। শুধু গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টরেই ৫০ হাজারের বেশি অ্যাক্টিভ ডিজাইনার, আর এই সেক্টর ২০২৩ সালে কামিয়েছে প্রায় ১.৮৫ বিলিয়ন ডলার। ডলারে, টাকায় না (হিসাব করে মাথা ঘুরে গেলে আমার দোষ নেই)। আপনি যদি ৫০ বাদ দিয়ে ১০ হাজার ডিজাইনার ধরেন তাও কম না।
যাকেই জিজ্ঞাসা করি সে কোন না কোন ভাবে গ্লোবাল মার্কেটের জন্য সার্ফ করছে।
তাহলে এবার আপনি হিসাবটা মেলান। এক দিকে পঞ্চাশ হাজার ডিজাইনার, আরেক দিকে “ডিজাইনার পাই না।” দুইটা একসাথে সত্য হয় কীভাবে?
হয়, যদি প্রশ্নটাই ভুল হয়। আজকে আমি এই ভুল প্রশ্নটা নিয়েই কথা বলবো। আর শেষে গিয়ে দেখাবো, সমস্যাটা ডিজাইনারের সংখ্যায় না, সমস্যাটা আমরা কোন ধরনের ডিজাইনার বানাচ্ছি সেখানে। যদিও অনেকে আমার সাথে একমত হবেন না। সমস্যা নেই, মত দিন, বিরোধ নয়। আমি সব সময় একটা সূত্র ধরে এগোই, এক সাথে অনেক সূত্র ধরে এগোলে সমস্যা হয়ে যায়।
আমি একজন ডিজাইনারকে দুইভাবে দেখি। একজন ব্রিফ বানায়, আরেকজন ব্রিফ ফলো করে।
ব্রিফ ফলোয়ারের জীবনটা আমরা সবাই চিনি। তার ইনবক্সে একটা তৈরি জিনিস আসে। কী বানাতে হবে লেখা আছে, কার জন্য লেখা আছে, কবের মধ্যে লাগবে সেটাও লেখা আছে (যদিও ডেডলাইনটা সবসময় “কালকের মধ্যে”)। তার কাজ হলো সেটাকে সুন্দর করে এক্সিকিউট করা। এই কাজে স্কিল লাগে, রুচি লাগে, টুলের উপর দখল লাগে। আমি এই কাজকে ছোট করছি না, একদমই না। কিন্তু খেয়াল করুন, চিন্তার সবচেয়ে কঠিন অংশটা তার প্লেটে আসার আগেই কেউ রান্না করে রেখেছে।
ব্রিফ ক্রিয়েটরের গল্পটা অন্য। তার কাছে আসে ধোঁয়াশা। “সেলস কমছে।” “ইউজার অ্যাপে টিকছে না।” “আমরা নতুন মার্কেটে ঢুকতে চাই।” ব্যস, এইটুকুই। এখন এই কুয়াশার ভেতর থেকে তাকে বের করে আনতে হবে একটা স্পষ্ট আকার। তার জন্য বিজনেস বুঝতে হয়, মার্কেট বুঝতে হয়, ইকোনমিকস বুঝতে হয়, মানুষ বুঝতে হয়, ডেভেলপমেন্টের সীমা বুঝতে হয়। সোজা কথায় যা লাগে সব। রিসার্চ করে, প্রশ্ন করে, ভুল ধরে, সে সমস্যাটাকে এমন একটা শেইপে নিয়ে আসে যেখান থেকে যে কেউ কাজ শুরু করতে পারে।
এক লাইনে বললে, ব্রিফ ফলোয়ার উত্তর দেয়। ব্রিফ ক্রিয়েটর প্রশ্নটাই ঠিক করে।
এ ছাড়াও অনেক ভাবে ভাগ বাটোয়ারা করা যায়। কিন্তু আমি এই ভাগটাকেই বেস্ট করছি।
এবার একটু ডেটা ঘাঁটি। ফিগমা প্রতি বছর স্টেট অফ দ্য ডিজাইনার নামে একটা রিপোর্ট বের করে, হাজারখানেক ডিজাইনারের উপর সার্ভে চালিয়ে। সাম্প্রতিক রিপোর্টে একটা সংখ্যা দেখে আমি স্ক্রল থামিয়ে দুইবার পড়েছিলাম।
৮২ শতাংশ অর্গানাইজেশন বলছে তাদের ডিজাইনার দরকার। মানে ডিমান্ড কমেনি, বাড়ছে। কিন্তু ভেতরের ভাঙনটা দেখেন। ৫৬ শতাংশ খুঁজছে সিনিয়র, আর জুনিয়র খুঁজছে মাত্র ২৫ শতাংশ।
এখন প্রশ্ন হলো এই “সিনিয়র” জিনিসটা কী? বেশি বছর চাকরি করলেই সিনিয়র? ভাই, চেয়ারে বসে থাকলে চেয়ার সিনিয়র হয়, মানুষ না। ইন্ডাস্ট্রি যখন সিনিয়র বলে, তখন আসলে বোঝায় এমন কাউকে যাকে বলে দিতে হয় না কী করতে হবে। যার ভিতর রেসপন্সিবিলিটি, ম্যচুরিটি আছে। যে ধোঁয়াশা হাতে নিয়ে নিজেই রাস্তা বানাতে পারে। এটাই, ইন্ডাস্ট্রি আসলে খুঁজছে ব্রিফ ক্রিয়েটর।
একই রিপোর্টের আরেকটা তথ্য এই ছবিটা আরও পরিষ্কার করে। ৮৭ শতাংশ ডিজাইনার বলছেন ডিসিশন নেওয়ার ক্ষমতা তাদের পারফরম্যান্স বাড়ায়, আর জব স্যাটিসফ্যাকশনের এক নম্বর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ক্রিয়েটিভ ফ্রিডম। মানে ডিজাইনাররা নিজেরাও ওই চেয়ারটাই চায়। যারা পায়, তারা ওড়ে। যারা পায় না, তারা পোর্টফোলিওতে মিছামিছি মিলিয়ন ডলারের আউটকাম লেখে (সেই গল্প আরেকদিন)।
তাহলে বাংলাদেশের ৫০ হাজার ডিজাইনারের কতজন ওই চেয়ারে বসতে পারে? আমার ১৫ বছরের চেয়ারের অভিজ্ঞতা বলে, হাতে গোনা কয়েকজন। বাকিরা প্রায় সবাই ব্রিফ ফলোয়ার।
আর বিশ্বাস করুন, এটা কোনো দুর্ঘটনা না। এটা আমাদের পুরো ইকোসিস্টেমের নিজের হাতে করা ডিজাইনএবং এই ডিজাইনটা ভুল।
ভাবুন তো, বাংলাদেশে একজন ক্লায়েন্ট বা ম্যানেজার ডিজাইনারের কাছে কীভাবে আসে? “ভাই আইডিয়াটা হলো এই। দুই লাইনে বলে দিলাম, বাকিটা আপনি বানিয়ে ফেলেন। পারবেন না? আরে আপনি তো ক্রিয়েটিভ মানুষ!” (অন সাইট জবের ক্ষেত্রে)
এই দুই লাইনের কালচারে ডিজাইনারের জায়গাটা কোথায়? প্রশ্ন করার অনুমতি নেই থাকলেও সে কি যে উত্তর দেয় তার চাইতে মনে করি এক্স নিয়ে কাজ করা ভালো, রিসার্চ করার সময় নেই (“রিসার্চ লাগবে কেন, ড্রিবলে তো হাজার হাজার ডিজাইন আছে”), বিজনেসের ভেতরে ঢোকার দরজা নেই (“ওটা আমরা দেখবো, আপনি ডিজাইনটা দেন”)। ডিজাইনারকে দাঁড় করানো হয়েছে প্রোডাকশন লাইনের একদম শেষ মাথায়, যেখানে চিন্তা শেষ, শুধু হাত চালানো বাকি।
বছরের পর বছর মানুষটাকে এই জায়গায় দাঁড় করিয়ে রেখে এখন আমরা অভিযোগ করছি, ডিজাইনাররা চিন্তা করতে পারে না। এটা অনেকটা এমন, যাকে জীবনে কখনো রান্নাঘরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, তাকে দোষ দিচ্ছি সে বিরিয়ানি রাঁধতে জানে না বলে।
তবে দাঁড়ান, পুরো দোষটা CEO আর ম্যানেজারদের ঘাড়ে ফেলে ডিজাইনাররা হাত ধুয়ে ফেলবেন, সেই সুযোগও নেই। আমাদের নিজেদের শেখার ধরনেও একটা বিশাল ফাঁক আছে। আর সেই ফাঁকটাই আমার কাছে এই পুরো সমস্যার শিকড়।
বাংলাদেশে বেশিরভাগ ডিজাইনারের জার্নি শুরু হয় একটা কোর্স দিয়ে। কোর্সে শেখানো হয় প্রুভেন মেথড। এই স্টেপে রিসার্চ, এই স্টেপে ওয়্যারফ্রেম, এই স্টেপে টেস্টিং। মেথডগুলো খারাপ না, বরং দুনিয়ার সেরা টিমগুলোর ঘাম ঝরানো অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা জিনিস। সমস্যা মেথডে না।
সমস্যা হলো, আমরা মেথড মুখস্থ করি কিন্তু জীবনেও জিজ্ঞেস করি না মেথডটা কাজ করে কেন। রেসিপি মুখস্থ করি, রান্না শিখি না।
বাচ্চা বয়সের কেইস স্টাডি ভাব নিয়ে লিখেছিলাম “এই কাজে ডিজাইন থিঙ্কিং মেথড ইউজ করেছি” ইন্টারভিউতে আমাকে প্রশ্ন করে “আচ্ছা ডিজাইন থিঙ্কিং মেথড কেন আসলো, কেন এই কয়টা স্টেপ দিয়ে একটা সমস্যার সমাধানের শেষে যাওয়া যায়”
আমি অক করে চেয়ে ছিলাম, শালার স্টেপ গুলো, কে বানিয়েছে, কিভাবে বানালো মুখস্থ করে আসছি, এভাবে তো ভেবে দেখিনি।
তখন বুঝেছি রেসিপি জানা মানুষটা ততক্ষণই হিরো যতক্ষণ উপকরণ আর চুলা রেসিপির সাথে হুবহু মেলে। একটু এদিক ওদিক হলেই খেল খতম। আর রান্না জানা মানুষটা বোঝে আগুন কী করে, কোন তাপমাত্রায় কি হয়, লবণ কখন দিতে হয়, পেঁয়াজ না থাকলে কী দিয়ে কাজ চালানো যায়। সে নতুন পরিস্থিতিতে নিজের রেসিপি নিজেই বানিয়ে নেয়।
ব্রিফ ক্রিয়েটর হতে ঠিক এই জিনিসটাই লাগে। কারণ প্রতিটা বিজনেস প্রব্লেম আলাদা, আর কোনো কোর্সের সিলেবাসে তার রেডিমেড উত্তর নেই। থাকলে CEO রা কোর্স কিনতো, ডিজাইনার খুঁজতো না।
এই ফাঁকের একটা কড়া অর্থনৈতিক দামও আছে। গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসগুলোর ডেটা বলছে, সাউথ এশিয়ার ডিজাইনাররা ঘণ্টায় গড়ে ১০ থেকে ৩৫ ডলার পায়, যেখানে নর্থ আমেরিকার ডিজাইনাররা পায় ৪০ থেকে ৮৫ ডলার। এই ব্যবধানটা শুধু ভূগোলের না। ব্রিফ ফলোয়ারের কাজ সহজে রিপ্লেস করা যায়, তাই তার একমাত্র অস্ত্র কম দাম। আর কম দামের যুদ্ধে জিতলেও লাভ নেই, কারণ কালকে আরেকজন আরও কমে করে দেবে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্স মার্কেট নিয়ে লেখা রিপোর্টগুলোতেও ঘুরেফিরে একই কথা আসছে, স্কিল গ্যাপ আর প্রাইস আন্ডারকাটিং এই সেক্টরের আয় খেয়ে ফেলছে।
এতদিন এই ভুল পজিশনিংটা চোখে পড়েনি, কারণ ব্রিফ ফলো করার কাজেরও বাজার ছিল। ভালোই ছিল। তারপর AI এসে পর্দাটা এক টানে সরিয়ে দিলো।
সংখ্যা দেখেন। ৭৫ শতাংশ ডিজাইনার এখন AI টুল ব্যবহার করছে, যেটা ২০২৩ সালে ছিল মাত্র ৩৫ শতাংশ। আর ৩৬ শতাংশ কোম্পানি ইতিমধ্যে অন্তত একটা ডিজাইন টাস্ক AI দিয়ে সেরে ফেলছে।
এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন, কোন টাস্কগুলো AI দিয়ে সারছে? ঠিক সেগুলোই, যেগুলোতে ব্রিফ রেডি, শুধু এক্সিকিউশন বাকি। মানে ব্রিফ ফলোয়ারের প্লেটের খাবারটাই AI সবার আগে খেয়ে ফেলছে। ফিগমার রিপোর্টে এটাও উঠে এসেছে যে প্রোডাক্ট ম্যানেজাররা এখন নিজেরাই টুল দিয়ে প্রোটোটাইপ বানিয়ে ফেলছে। ভাবেন অবস্থা, অনেক PM যে কোনোদিন ফটোশপের P ও চেনেনি, সে এখন প্রোটোটাইপ বানায়।
অথচ একই রিপোর্ট বলছে, যে ডিজাইনাররা AI কে কাজে লাগাচ্ছে তারা কাজে বেশি স্যাটিসফাইড, বেশি ইমপ্যাক্ট রাখছে। তাহলে ব্যাপারটা কী দাঁড়ালো? AI কাউকে ডোবাচ্ছে, কাউকে ভাসাচ্ছে। পার্থক্যটা টুলে না, পার্থক্যটা পজিশনে। ব্রিফ ক্রিয়েটরের হাতে AI একটা দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট। আর ব্রিফ ফলোয়ারের জন্য AI একটা প্রতিদ্বন্দ্বী, যে ঘুমায় না, ছুটি চায় না, স্যালারিও চায় না।
আমি ভয় দেখানোর জন্য এতগুলো কথা লিখিনি। লিখেছি কারণ রোগের নাম না জানলে ওষুধ হয় না।
ডিজাইনার ভাই-বোনদের বলবো, পরের কোর্সটায় এনরোল করার আগে নিজেকে একটা প্রশ্ন করেন। আমি কি আরেকটা রেসিপি শিখছি, নাকি রান্না শিখছি? যে মেথডটা জানেন, সেটা কেন কাজ করে তার উত্তর খোঁজেন। ক্লায়েন্টের ফাইলটা না, ক্লায়েন্টের বিজনেসটা বোঝার চেষ্টা করেন। দুই লাইনের আইডিয়া হাতে পেলে তৃতীয় লাইনটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করেন। প্রথম প্রথম ক্লায়েন্ট বিরক্ত হবে, তারপর একদিন আবিষ্কার করবেন সে আপনাকে ছাড়া মিটিংয়েই বসে না।
আর যারা হায়ার করেন, সেই CEO ভাই আর ম্যানেজার ভাইদের বলবো, ব্রিফ ক্রিয়েটর গাছে ধরে না, আকাশ থেকেও পড়ে না। তাকে তৈরি হওয়ার জায়গা দিতে হয়। যে ডিজাইনারকে জীবনে কখনো প্রব্লেমের ভেতরে ঢুকতে দেননি, তার কাছে সলিউশন আশা করাটা অন্যায়। আজকে একজন জুনিয়রকে রুমে ঢুকতে দেন, পাঁচ বছর পর সে-ই আপনার “ডিজাইনার পাই না” সমস্যার সমাধান হবে। যদিও এখানে অন্য প্রবলেম আছে।
বাংলাদেশে ডিজাইনার আছে। পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি। যেটা নেই সেটা হলো তাদের সঠিক জায়গায় দাঁড় করানোর সাহস। ডিজাইনারদের নিজেদেরও, ইন্ডাস্ট্রিরও।
প্রশ্নটা তাই “ডিজাইনার কোথায়” না। প্রশ্নটা হলো, আমরা কোন ডিজাইনার বানাচ্ছি।
এই লেখার ডেটাগুলো পেয়েছি Figma র State of the Designer রিপোর্ট, Oxford Internet Institute এর অনলাইন লেবার ইনডেক্স আর বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্স মার্কেট নিয়ে করা কিছু ইন্ডাস্ট্রি রিপোর্ট থেকে। সংখ্যায় ভুলভ্রান্তি থাকলে ক্ষমা করে দিবেন, আর মতের অমিল হলে ঘুমিয়ে পরুন, শুধু এই একটা জায়গা আমার মতামত দেবার, বাসায় তো কোণ মত দিতেই পারি না।
এই ব্যাপারটা অনেক ভাবে বিশ্লেষণ করা যায়, আমি আগেই বলেছিলাম আমি একটা সূত্র ধরে এগিয়েছি। এর আরও অনেক পাথ আছে, থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আপনার যদি অন্য চিন্তা থাকে শেয়ার করবেন।